দাওয়াতের গুরুত্ব
তাওহীদের ডাক ডেস্ক
তাওহীদের ডাক ডেস্ক 1459 বার পঠিত
আল-কুরআনুল কারীম :
১- وَمَا هَذِهِ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا لَهْوٌ وَلَعِبٌ وَإِنَّ الدَّارَ الْآخِرَةَ لَهِيَ الْحَيَوَانُ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ-
‘এই পার্থিব জীবন তো খেল-তামাশা ব্যতীত কিছু নয়। আর পরকালীন জীবন হ’ল চিরস্থায়ী যদি তারা জানত!’ (আনকাবূত ২৯/৬৪)।
২- إِنَّمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا لَعِبٌ وَلَهْوٌ وَإِنْ تُؤْمِنُوْا وَتَتَّقُوْا يُؤْتِكُمْ أُجُوْرَكُمْ وَلَا يَسْأَلْكُمْ أَمْوَالَكُمْ-
‘পার্থিব জীবন খেল-তামাশা বৈ কিছু নয়। তবে যদি তোমরা ঈমান আনো ও আল্লাহভীরু হও, তাহ’লে তিনি তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দিবেন। আর তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ চান না’ (মুহাম্মাদ ৪৭/৩৬)।
৩- اعْلَمُوْا أَنَّمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا لَعِبٌ وَلَهْوٌ وَزِيْنَةٌ وَتَفَاخُرٌ بَيْنَكُمْ وَتَكَاثُرٌ فِي الْأَمْوَالِ وَالْأَوْلَادِ كَمَثَلِ غَيْثٍ أَعْجَبَ الْكُفَّارَ نَبَاتُهُ ثُمَّ يَهِيْجُ فَتَرَاهُ مُصْفَرًّا ثُمَّ يَكُوْنُ حُطَامًا وَفِيْ الْآخِرَةِ عَذَابٌ شَدِيْدٌ وَمَغْفِرَةٌ مِنَ اللهِ وَرِضْوَانٌ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا مَتَاعُ الْغُرُوْرِ-
‘তোমরা জেনে রাখ যে, পার্থিব জীবন খেল-তামাশা, সাজ-সজ্জা, পারস্পরিক অহমিকা, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা ছাড়া কিছুই নয়। যার উপমা বৃষ্টির ন্যায়। যার উৎপাদন কৃষককে চমৎকৃত করে। অতঃপর তা শুকিয়ে যায়। যাকে তুমি হলুদ দেখতে পাও। অতঃপর তা খড়-কুটায় পরিণত হয়। আর পরকালে রয়েছে (কাফেরদের জন্য) কঠিন শাস্তি এবং (মুমিনদের জন্য) আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি। বস্তুত পার্থিব জীবন ধোঁকার উপকরণ ছাড়া কিছু নয়’ (হাদীদ ৫৭/২০)।
৪- وَذَرِ الَّذِيْنَ اتَّخَذُوْا دِينَهُمْ لَعِبًا وَلَهْوًا وَغَرَّتْهُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَذَكِّرْ بِهِ أَنْ تُبْسَلَ نَفْسٌ بِمَا كَسَبَتْ لَيْسَ لَهَا مِنْ دُوْنِ اللهِ وَلِيٌّ وَلَا شَفِيْعٌ وَإِنْ تَعْدِلْ كُلَّ عَدْلٍ لَا يُؤْخَذْ مِنْهَا أُوْلَئِكَ الَّذِيْنَ أُبْسِلُوْا بِمَا كَسَبُوْا لَهُمْ شَرَابٌ مِنْ حَمِيْمٍ وَعَذَابٌ أَلِيْمٌ بِمَا كَانُوْا يَكْفُرُوْنَ-
‘যারা নিজেদের দ্বীনকে খেল-তামাশার বস্তুতে পরিণত করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছে, তাদেরকে তুমি পরিত্যাগ কর। তুমি তাদেরকে কুরআন দ্বারা উপদেশ দাও, যাতে কেউ স্বীয় কৃতকর্মের দরুন ঐদিন ধ্বংস না হয়, যেদিন আল্লাহ ব্যতীত তার কোন বন্ধু বা কোন সুফারিশকারী থাকবে না। আর যেদিন সকল প্রকার বিনিময় দিলেও তা গ্রহণ করা হবে না। এইসব লোকেরা নিজেদের কর্মদোষে ধ্বংস হয়েছে। তাদের অবিশ্বাসের কারণে তাদের প্রতিফল হিসাবে রয়েছে উত্তপ্ত পানীয় এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি’ (আন‘আম ৬/৭০)।
৫- وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِيْنٌ- وَإِذَا تُتْلَى عَلَيْهِ آيَاتُنَا وَلَّى مُسْتَكْبِرًا كَأَنْ لَمْ يَسْمَعْهَا كَأَنَّ فِي أُذُنَيْهِ وَقْرًا فَبَشِّرْهُ بِعَذَابٍ أَلِيْمٍ-
‘লোকদের মধ্যে এমন লোকও আছে, যারা অজ্ঞতা বশে বাজে কথা খরীদ করে মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুৎ করার জন্য এবং তারা আল্লাহর পথকে ঠাট্টার বস্তুরূপে গ্রহণ করে। এদের জন্য রয়েছে হীনকর শাস্তি’। ‘আর যখন তার সামনে আমাদের আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে দম্ভভরে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেন সে শুনতেই পায়নি। যেন তার দুই কানে বধিরতা রয়েছে। অতএব তুমি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও’ (লোক্বমান ৩১/৬-৭)।
৬- الَّذِيْنَ اتَّخَذُوا دِينَهُمْ لَهْوًا وَلَعِبًا وَغَرَّتْهُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا فَالْيَوْمَ نَنْسَاهُمْ كَمَا نَسُوْا لِقَاءَ يَوْمِهِمْ هَذَا وَمَا كَانُوْا بِآيَاتِنَا يَجْحَدُوْنَ-
‘যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশার বস্তুতে পরিণত করেছিল এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছিল, আজ আমরা তাদেরকে ভুলে যাব, যেমন তারা তাদের এ দিনের সাক্ষাতের কথা ভুলে গিয়েছিল এবং যেমন তারা আমাদের আয়াতসমূহকে অস্বীকার করত’ (আ‘রাফ ৭/৫১)।
হাদীছের বাণী :
৮- عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ بَيْنَا نَحْنُ نَسِيرُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْعَرْجِ إِذْ عَرَضَ شَاعِرٌ يُنْشِدُ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: خُذُوا الشَّيْطَانَ أَوْ أَمْسِكُوْا الشَّيْطَانَ لَأَنْ يَمْتَلِئَ جَوْفُ رَجُلٍ قَيْحًا خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمْتَلِئَ شِعْرًا
(৮) আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সঙ্গে আরজ অঞ্চলে ভ্রমণ করছিলাম। সে সময় এক কবি কবিতা আবৃত্তি করতে করতে আসল। তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, শয়তানটাকে ধর, অথবা (বর্ণনায় সংশয় তিনি বললেন) শয়তানটাকে বাধা দাও। কোন ব্যক্তির পেট পুঁজ ভর্তি হয়ে যাওয়া কবিতায় ভর্তি হওয়া হ’তে উত্তম’।[1]
৯- عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ: حَدَّثَنَا أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُمْ كَانُوْا يَسِيْرُوْنَ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَامَ رَجُلٌ مِنْهُمْ فَانْطَلَقَ بَعْضُهُمْ إِلَى حَبْلٍ مَعَهُ لِأَخْذِهِ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يُرَوِّعَ مُسْلِمًا-
(৯) ইবনু আবু লায়লা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত তিনি বলেন, আমাকে মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর ছাহাবীগণ হাদীছ বর্ণনা করেছেন যে, একদা তারা রাসূল (ছাঃ)-এর সঙ্গে সফরে ছিলেন। তাদের এক ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়লে তাদের মধ্যকার কেউ গিয়ে (মজার ছলে) তার সঙ্গের রশি নিয়ে আসল। তাতে সে ভয় পেয়ে গেল। তখন রাসূল (ছাঃ) বললেন, ‘কোন মুসলিমের জন্য অন্য মুসলিমকে ভয় দেখানো বৈধ নয়’।[2]
১০- عَنْ نَافِعٍ قَالَ: كُنْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ فِيْ طَرِيْقٍ، فَسَمِعَ مِزْمَارًا، فَوَضَعَ أُصْبُعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ وَنَاءَ عَنِ الطَّرِيقِ إِلَى الْجَانِبِ الْآخَرِ، ثُمَّ قَالَ لِي بَعْدَ أَنْ بَعُدَ: يَا نَافِعُ! هَلْ تَسْمَعُ شَيْئًا؟ قُلْتُ: لَا، فَرَفَعَ أُصْبُعَيْهِ مِنْ أُذُنَيْهِ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ رَسُوْلِ اللَّهِ فَسَمِعَ صَوْتَ يَرَاعٍ، فَصَنَعَ مِثْلَ مَا صَنَعْتُ-
(১০) নাফে‘ বলেন, আমি রাস্তায় ইবনু ওমরের সাথে ছিলাম। তিনি বাদ্যযন্ত্রের আওয়ায শুনে তার দু’কানে দু’আঙ্গুল প্রবেশ করালেন এবং রাস্তার অন্য পাশে সরে গেলেন। অতঃপর দূরে গিয়ে বললেন, নাফে! তুমি কি এখন কিছু শুনতে পাচ্ছ? (নাফে‘ বলেন,) আমি বললাম, না। তখন
তিনি তার কান থেকে আঙ্গুল সরালেন এবং বললেন, আমি একদা নবী করীম (ছাঃ)-এর সাথে ছিলাম। তিনি বাঁশির আওয়ায শুনে এরূপ করেছিলেন’।[3]
১১- عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيْدَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُوْلَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُوْلُ: لَا يَأْخُذَنَّ أَحَدُكُمْ مَتَاعَ أَخِيْهِ لَاعِبًا، وَلَا جَادًّا وَقَالَ سُلَيْمَانُ: لَعِبًا وَلَا جِدًّا وَمَنْ أَخَذَ عَصَا أَخِيْهِ فَلْيَرُدَّهَا-
(১১) আব্দুল্লাহ ইবনুস সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) তার পিতা থেকে তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি রাসূল (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন তার ভাইয়ের কোনো জিনিস না নেয়, খেলাচ্ছলেই হোক কিংবা বাস্তবেই হোক। আর কেউ তার কোনো ভাইয়ের লাঠি নিয়ে থাকলে তা যেন ফিরিয়ে দেয়’।[4]
১২- عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ مَنْ قَعَدَ مَقْعَدًا لَمْ يَذْكُرِ اللهَ فِيهِ كَانَتْ عَلَيْهِ مِنَ اللهِ تِرَةٌ
وَمَنْ اضْطَجَعَ مَضْجَعًا لَا يَذْكُرُ اللهَ فِيهِ كَانَتْ عَلَيْهِ مِنَ اللهِ تِرَةٌ-
(১২) আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোন স্থানে বসল অথচ আল্লাহকে স্মরণ করল না, তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে লাঞ্ছনা। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি বিছানায় শুয়েছে অথচ আল্লাহকে স্মরণ করল না, তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে লাঞ্ছনা’।[5]
১৩- عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ- رَضِيَ اللهُ عَنْهُ- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: وَيْلٌ لِمَنْ يُحَدِّثُ فَيَكْذِبُ لِيُضْحِكَ بِهِ الْقَوْمَ وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ-
(১৩) বাহয ইবনু হাকীম (রহঃ) তার বাবা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত আছে তার দাদা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ‘সেই লোক ধ্বংস হোক, যে মানুষকে হাসানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা কথা বলে। তার জন্য ধ্বংস, তার জন্য ধ্বংস’।[6]
মনীষীদের বক্তব্য :
১. ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেছেন, ‘প্রতিটি খেল-তামাশাই বাতিল, বিশেষ করে যখন তা মানুষকে আল্লাহর আনুগত্য থেকে বিরত রাখে’।[7]
২. ইবনু কাছীর (রহঃ) বলেন, ‘আল্লাহ কাফেরদের এমনভাবে বর্ণনা করেছেন যে, তারা দ্বীনকে খেল-তামাশা ও খেলাচ্ছলে গ্রহণ করেছিল এবং দুনিয়ার সৌন্দর্য ও চাকচিক্য দ্বারা প্রতারিত হয়েছিল। এর ফলে তারা আখেরাতের জন্য যে কাজ করার নির্দেশপ্রাপ্ত হয়েছিল, তা থেকে তারা গাফেল হয়ে যায়’।[8]
৩. আল্লামা ইকবাল (রহঃ) বলেছেন, ‘এ কোন মূর্খ সভ্যতা, যা ফেলেছে তাদের বিভ্রান্তির গহবরে, যত অকল্যাণের জালে। বানিয়েছে তাদের তরে ভোগ-বিলাসের প্রতিমা, যাতে পবিত্র হারাম (আল্লাহর ঘর) ঢেকে যায় আঁধারে’।[9]
সারবস্তু :
১. দুনিয়ার জীবন খেল-তামাশার ও প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা ভিন্ন কিছুই নয়। ২. সর্বাবস্থায় আল্লাহর উপর ভরসায় সত্যসেবী মুমিনের নিকট পার্থিব তৃপ্তি তুচ্ছই মনে হয়। ৩. পার্থিব খেল-তামাশা ছেড়ে পরকালীন সফলতা অর্জনের জন্য কষ্টকর জীবনই মুমিনের চূড়ান্ত লক্ষ্য। আল্লাহ আমাদের সকলকেই পার্থিব জীবনের মোহ ছেড়ে পরকালীন পাথেয় অর্জনের তাওফীক দান করুন।-আমীন!
[1]. মুসলিম হা/২২৫৯; মিশকাত হা/৪৮০৯।
[2]. আবুদাঊদ হা/৫০০৪; মিশকাত হা/৩৫৪৫।
[3]. আহমাদ হা/৪৫৩৫ আবুদাঊদ হা/৪৯২৪; মিশকাত হা/৪৮১১।
[4]. আবুদাঊদ হা/৫০০৩; ছহীহুত তারগীব হা/২৮০৮।
[5]. আবূদাউদ হা/৪৮৫৬; মিশকাত হা/২২৭২; ছহীহাহ হা/৭৮।
[6]. আবুদাউদ হা/৪৯৯০; তিরমিযী হা/২৩১৫; মিশকাত হা/৪৮৩৪।
[7]. ফৎহুল বারী ১১/৯৩ পৃ.।
[8]. ইবনু কাছীর ২/২২৮ পৃ.।
[9]. তানযীহুশ শরী‘আহ ৬৭ পৃ.।