শিশু-কিশোরদের উপর নৃশংস নির্যাতন : কারণ ও প্রতিকার (৩য় কিস্তি)
আযীযুর রহমান
তাওহীদের ডাক ডেস্ক 4 বার পঠিত
‘আমেরিকা’ বললেই সাধারণত চোখে ভেসে ওঠে আধুনিক নগরায়ণ, পুঁজিবাদী জীবনধারা আর পশ্চিমা সংস্কৃতির ঝলকানি। কিন্তু এই আমেরিকার বুকেই টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ‘ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ’ (Dallas-Fort Worth, সংক্ষেপে DFW) মেট্রো এলাকাটি আজ হয়ে উঠছে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের জন্য এক অনন্য বিস্ময়। যেখানে একসময় শুধুই কাউবয় সংস্কৃতি আর খ্রিষ্টান রক্ষণশীলদের আধিপত্য ছিল, সেখানে আজ গড়ে উঠেছে উত্তর আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম ও প্রাণবন্ত মুসলিম জনগোষ্ঠী। নিম্নে ডালাস এলাকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হ’ল।-
(১) সংখ্যায় ডালাসের মুসলিম সমাজ : ১৯৯০ সালে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে মুসলিমের সংখ্যা ছিল আনুমানিক ১ লাখ ৪০ হাযার। আর একই সময়ে ডালাস শহরে ছিল প্রায় ৩০ হাযার মুসলিম ও ১৫টি ইসলামিক সেন্টার। তিন দশক পরে বর্তমানে বিভিন্ন সূত্র মতে গোটা DFW মেট্রোপ্লেক্সে মুসলিমের সংখ্যা আনুমানিক ১ লাখ ১০ হাযার থেকে দেড় লাখের মধ্যে। আর কোনো কোনো হিসাবে শুধু ডালাস শহরেই প্রায় ১ লাখ ৩০ হাযার মুসলিম বসবাস করে। যা শহরের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮-১০%।
বর্তমানে মেট্রোপ্লেক্স জুড়ে প্রায় ৬২টি সুন্নী মসজিদ এবং ৫টি শী‘আ মসজিদ রয়েছে বলে কমিউনিটি হিসাব থেকে জানা যায়। শুধু কলিন কাউন্টিতেই (যেখানে প্লাঙ্কো ও ফ্রিস্কো অবস্থিত) রয়েছে ২২টি মসজিদ। ২০২৩-২৫ সালের মধ্যে গোটা টেক্সাসে প্রায় ৫০টি নতুন মসজিদ যুক্ত হয়েছে, আর তার একটি বড় অংশই এসেছে DFW এলাকায়। মুসলিম জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি উত্তর ডালাস, ফার নর্থ ডালাস, নর্থইস্ট ডালাস এবং আরভিং-রিচার্ডসন সংলগ্ন এলাকায়। বিশেষত প্লাঙ্কো, ফ্রিস্কো, আরভিং, রিচার্ডসন ও ম্যাককিনিতে।
(২) অভিবাসনের ইতিহাস ও পটভূমি : ডালাসের মুসলিম জনগোষ্ঠী একটি একক গোষ্ঠী নয়। বরং কয়েক দশকের বিভিন্ন অভিবাসন স্রোতের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে।-
দক্ষিণ এশীয় (ভারত-পাকিস্তান) কমিউনিটি : ১৯৬৫ সালের ইমিগ্রেশন এ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট দক্ষ পেশাজীবী ও পারিবারিক পুনর্মিলনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পর থেকে প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা ডালাসের প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে যুক্ত হ’তে শুরু করেন। বর্তমানে উর্দুভাষী পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত মুসলিমদের সংখ্যা আনুমানিক ৪৩ হাযারের কাছাকাছি। যাদের অধিকাংশই প্লাঙ্কো ও আশপাশের উত্তর শহরতলিতে কেন্দ্রীভূত।
আরব কমিউনিটি : লেবানন, সিরিয়া ও মিশর থেকে আসা মুসলিমরাও ডালাসের আরেকটি বড় অংশ গঠন করেছেন। এদের অনেকে ১৯৭৫-৯০ সালের লেবানিজ গৃহযুদ্ধের সময় শরণার্থী হিসাবে এসেছিলেন। আবার অনেকে টেক্সাসের জ্বালানি শিল্পে কাজের সুযোগ খুঁজে এখানে থিতু হয়েছেন। এছাড়া চাকরি, সাশ্রয়ী আবাসন, ভালো স্কুল এবং একটি সুসংগঠিত দ্বীনী পরিবেশের খোঁজে আমেরিকার অন্যান্য অঙ্গরাজ্য থেকেও বহু মুসলিম পরিবার গত দুই দশকে ডালাস ও তার শহরতলিতে স্থানান্তরিত হয়েছে।
(৩) টেক্সাস ও জাতীয় প্রেক্ষাপটে ডালাসের অবস্থান : সমগ্র টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে বর্তমানে মুসলিমের সংখ্যা আনুমানিক ৩ লাখ ১৩ হাযার। যা যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যগুলোর মধ্যে পঞ্চম-বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যা। যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী তুলনায় নিউইয়র্ক (৬-৭ লাখের বেশি), শিকাগো (৩.৫-৪.৭ লাখ) এবং ডিয়ারবর্ন এলাকা (দেড় লাখের বেশি) এই পুরনো ও প্রতিষ্ঠিত মুসলিম কেন্দ্রগুলোর তুলনায় ডালাস এখনো ছোট, কিন্তু প্রবৃদ্ধির হারে এটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুততম বর্ধনশীল মুসলিম-অধ্যুষিত মেট্রো এলাকাগুলোর একটি হিসাবে চিহ্নিত হচ্ছে। কর্মসংস্থান, তুলনামূলক সাশ্রয়ী জীবনযাত্রা ও আয়কর-মুক্ত রাজ্য হওয়ার সুবিধা। এই তিনটি কারণ ক্যালিফোর্নিয়া ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে প্রযুক্তি, জ্বালানি ও কর্পোরেট খাতের বহু মুসলিম পরিবারকে টেক্সাসমুখী করেছে। এই দ্রুত প্রবৃদ্ধি ও ঘনবসতির কারণে কমিউনিটির ভেতরে কেউ কেউ রসিকতা করে ডালাসকে ‘আমেরিকার মদীনা’ নামেও ডাকেন।
(৪) মসজিদ ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠান : ডালাসের মুসলিম সমাজের মূল শক্তি এর মসজিদকেন্দ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক নেটওয়ার্ক। উল্লেখযোগ্য কিছু কেন্দ্র।-
১. ইস্ট প্লাঙ্কো ইসলামিক সেন্টার (EPIC) : ২০০৩ সালে কয়েকটি পরিবারের মিটিং থেকে যাত্রা শুরু। প্রথমে একটি ট্রেইলার, পরে একটি স্ট্রিপ-মলে সাময়িক জায়গা, এরপর ২০০৮ সালে প্রায় দশ হাযার বর্গফুটের একটি ভবনে স্থানান্তর। ২০১৫ সালে বর্তমান ৩৩,০০০ বর্গফুটের নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হয়, যেখানে ইমাম নাদিম বশীরের পাশাপাশি রেসিডেন্ট স্কলার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ড. ইয়াসির কাযী।
২. ওয়েস্ট প্লাঙ্কো সেন্টার (IACC– Islamic Association of Collin County): EPIC-এর সাথে মিলে ৩,০০০-এর বেশি পরিবারকে সেবা দেয় এবং কলিন কাউন্টির অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ব্যাংক পরিচালনা করে। শিশু-কিশোরদের দ্বীনী তারবিয়াত, স্কুল সাপ্লাই ড্রাইভ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আশ্রয়-খাবার সরবরাহের ক্ষেত্রে এরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
৩. ইসলামিক স্কুল অব আরভিং(ISI) : ১৯৯৭ সালে মাত্র ৬ জন কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই স্কুল এখন প্রি-কে থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ৬৫০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে সেবা দিচ্ছে।
৪. ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ টেক্সাস (IANT), রিচার্ডসন : একটি বিনামূল্যের মেডিকেল ক্লিনিক, পূর্ণাঙ্গ K-১২ একাডেমি (IANT কুরআনিক একাডেমি) এবং বিস্তৃত ইন্টারফেইথ প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। এটি অঞ্চলের অন্যতম পুরনো ও প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক সংগঠন, যেখান থেকেই পরবর্তীতে EPIC-এর মতো নতুন মারকায গড়ে ওঠার সূচনা হয়েছিল। এখানকার তানযীল একাডেমি ছেলে-মেয়ে উভয়কেই পূর্ণ ও খন্ডকালীন হিফয প্রোগ্রামে কুরআন মুখস্থ করার সুযোগ দেয়। পাশাপাশি চলে গণিত-বিজ্ঞান-ইংরেজীর নিয়মিত পাঠ। Newsweek ও STEM.org-এর এক বিশ্লেষণে সারা আমেরিকার ৩০ হাযার হাই স্কুলের মধ্যে ISI সেরা ৫০০০ স্কুলের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
৫. ইসলামিক সেন্টার অব ফ্রিস্কো (২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত) : কুরআন একাডেমি, সানডে স্কুল ও সাফওয়াহ সেমিনারির মাধ্যমে তাজভীদ শিক্ষা থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থকরণ পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রোগ্রাম চালু রয়েছে।
৬. কুরআন ইনস্টিটিউট অব ডালাস (QID): পূর্ণকালীন হিফয প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা সারাদিন কুরআন শিক্ষায় নিবিষ্ট থাকে, পাশাপাশি অনলাইনে কুরআন শিক্ষারও ব্যবস্থা আছে।
৭. উম্মুল কুরা ইসলামিক স্কুল (UQIS) ও EPIC মসজিদের সহযোগী ALA (একাডেমি) : এখানে হিফয শিক্ষার্থীরা কুরআন মুখস্থকরণের পাশাপাশি নিয়মিত একাডেমিক শ্রেণিতেও অংশ নিতে পারে, যাতে দ্বীনী ও দুনিয়াবী শিক্ষা একসঙ্গে অর্জন করতে পারে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেকেই আর্থিক সহায়তা ও বৃত্তির ব্যবস্থা রাখে, যাতে সামর্থ্য কোনো বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।
এছাড়াও ইসলামিক সেন্টার অব আরভিং, ফ্রিস্কো, ম্যাককিনি ও অ্যালেনের মসজিদগুলো ক্যারিয়ার-রেডিনেস ওয়ার্কশপ ও যুব মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। দক্ষিণ ডালাসে মসজিদ আল-ইসলাম ও আরভিং মসজিদ জাতিগত সমতা ও আবাসন-অধিকার নিয়ে কাজ করছে। গারল্যান্ডের মক্কাহ মসজিদ, কলিন্সের ম্যাসজিদ ইয়াসিন, রিচার্ডসনের ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশন অব টেক্সাস (ইমাম আবু হানীফা মসজিদ), কারোলটনের মদীনা মসজিদ, ডেন্টনের ইসলামিক সোসাইটির মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
(৫) পরিচিত দ্বীনি ব্যক্তিত্ব: ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ এলাকায় বসবাসরত কয়েকজন সুপরিচিত মুসলিম স্কলার ও দাঈ, যাদের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আন্তর্জাতিক পরিসরে সুপরিচিত। যদিও আক্বীদা-মানহাজের প্রশ্নে তারা বিতর্কের উর্ধ্বে নন। যেমন :
১. শায়খ ওমর সুলায়মান : ফিলিস্তীনী বংশোদ্ভূত এই ইমাম আন্তর্জাতিক ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া থেকে ইসলামিক থট অ্যান্ড সিভিলাইজেশনে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং সাউদার্ন মেথডিস্ট ইউনিভার্সিটি (SMU)-তে ইসলামিক স্টাডিজের অ্যাডজাংক্ট প্রফেসর হিসাবে যুক্ত আছেন। তিনি ২০১৬ সালে আরভিং-এ প্রতিষ্ঠা করেন ইয়াকিন ইনস্টিটিউট ফর ইসলামিক রিসার্চ, যা বর্তমানে একটি প্রভাবশালী গবেষণা -প্রতিষ্ঠান। তিনি ভ্যালি র্যাঞ্চ ইসলামিক সেন্টার (VRIC)-এর রেসিডেন্ট স্কলার হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২. শায়খ ইয়াসির কাযী : হিউস্টনে জন্ম নেওয়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত এই স্কলার সঊদী আরবের মদীনা ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে হাদীছ বিষয়ে স্নাতক এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রিলিজিয়াস স্টাডিজে পিএইচডি করেছেন। ২০১৯ সালে তিনি ডালাসে স্থানান্তরিত হয়ে EPIC-এর রেসিডেন্ট স্কলার এবং ইসলামিক সেমিনারী অব আমেরিকার ডিন হিসাবে দায়িত্ব নেন। তিনি ফিক্বহ কাউন্সিল অব নর্থ আমেরিকারও একজন সদস্য।
৩. নোমান আলী খান : পূর্ব জার্মানিতে জন্ম নেওয়া পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই আরবী-প্রশিক্ষক নিউইয়র্কের ন্যাসাউ কমিউনিটি কলেজে আরবী পড়ানোর পর ২০০৫-০৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বাইয়িনাহ ইনস্টিটিউট ফর অ্যারাবিক অ্যান্ড কুরআনিক স্টাডিজ। যা এখন ডালাসভিত্তিক এবং সারা বিশ্বে অনলাইনে কুরআন-আরবী শিক্ষা দেয়। তার ইউটিউব চ্যানেলের অনুসারী সংখ্যা ২৮ লাখেরও বেশি।
(৬) হালাল লাইফস্টাইল ও পারিবারিক জীবন : মুসলিম পরিবারগুলো নিজেদের জন্য একটি সমন্বিত জীবনযাত্রার কাঠামো গড়ে তুলেছে, শত শত হালাল রেস্তোরাঁ ও গ্রোসারি, এবং সাপ্তাহিক মসজিদকেন্দ্রিক পারিবারিক সমাবেশ। যেখানে শিশুরা খেলাধুলা করে আর বড়রা দ্বীনী আলোচনায় অংশ নেয়।
(৭) সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও আলোচনা : ডালাসের এই দ্রুত প্রবৃদ্ধি শুধু মুসলিম কমিউনিটির অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয় নয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিতর্কেও জায়গা করে নিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে টেক্সাসের মুসলিম জনগোষ্ঠীর প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিদেশি সংবাদমাধ্যমেও প্রামাণ্যচিত্র তৈরি হয়েছে, যা আমেরিকায় অভিবাসন ও ধর্মীয় জনসংখ্যা পরিবর্তন নিয়ে বৃহত্তর জাতীয় বিতর্কেরই প্রতিফলন। অর্থাৎ ডালাসের এই পরিবর্তন যেমন মুসলিম কমিউনিটির কাছে গর্বের বিষয়, তেমনি এটি স্থানীয় রাজনীতি ও জনমতেও নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিচ্ছে। যা যেকোনো দ্রুত জনমিতিক পরিবর্তনের স্বাভাবিক অনুষঙ্গ।
উপসংহার : অনেকে মনে করেন, পশ্চিমা দেশে বসবাস করা মানেই নিজস্ব ধর্মীয় পরিচয় ও সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলা। কিন্তু ডালাসের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা কাঠামো ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অভিবাসী কমিউনিটি একটি নতুন পরিবেশেও নিজস্ব ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক পরিচয় বজায় রাখতে পারে। মসজিদ এখানে কেবল ইবাদতের কেন্দ্র নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ত্রাণ ও সামাজিক সংহতির কেন্দ্র হিসাবেও কাজ করছে। আল্লাহ তা‘আলা ডালাসসহ সারা বিশ্বের তাওহীদবাদী মুসলিমদের ঈমান ও আমলকেন হেফাযত করুন, তাদের সন্তানদের দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করুন এবং পশ্চিমা বিশ্বের বুকে তাওহীদের সুমহান বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার তাওফীক দিন।-আমীন!
তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট